Main Menu

ঠাকুরগাঁওয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পকেট কমিটি গঠনের জন্য মরিয়া প্রধান শিক্ষক ও সভাপতি

রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি: টাকার বিনিময়ে স্কুল ম্যানেজিং কমিটির পকেট কমিটি করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠার অভিযোগ ওঠেছে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার ভন্ডগ্রাম সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এর বিরুদ্ধে। এই প্রধান শিক্ষক এর বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া যায় তিনি প্রায় ২০ বছর যাবৎ এই প্রতিষ্ঠানে আছেন । দীর্ঘদিন এই প্রতিষ্ঠানে থাকার কারণে নানা অনিয়মে ভরপুর হয়ে ওঠেছেন এই শিক্ষক । শুধু এই শিক্ষক নয় তার সাথে রয়েছেন অত্র প্রতিষ্ঠানের সভাপতি মানিক( সাবেক মেম্বার)।
সম্প্রতি সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ৯.৩৯ মিনিটে বিদ্যালয়ের মূল ফটকের তালা খুলছেন শিক্ষিকা বিথী রানী বিশ্বাস। দেখা গেল প্রধান শিক্ষক আব্দুল হাকিম ১০.৩৬ মিনিটে উপস্থিত। আর একজন শিক্ষিকা জান্নাতুল ফেরদৌস বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত ।
কয়েকজন অভিভাবক সদস্য এর মাধ্যমে জানা যায়,ম্যানেজিং কমিটি গঠনের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে ফরম বিতরনের নিয়ম থাকলেও অত্র স্কুলের এক সহকারী শিক্ষিকার বাড়িতে এই ফরম বিতরণ করা হয়। প্রধান শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির নানা অনিয়ম এর বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসসহ উপজেলা নির্বাহী অফিস ও প্রেসক্লাব বরাবরে কয়েকজন অভিভাবক সদস্য মিলে অভিযোগ দাখিল করেন।
এতেই শেষ নয় মোটা অংঙ্কের টাকার বিনিময়ে প্রধান শিক্ষক আব্দুল হাকিমসহ ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মানিক(সাবেক মেম্বার) দপ্তরী নিয়োগের টাকা ভাগ বাটওয়ারা সহ আবারও পকেট কমিটি করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেন। ফরম বিতরনের বিষয়ে প্রধান শিক্ষক আব্দুল হাকিম স্বীকার করেন সহকারী শিক্ষিকা জান্নাতুল ফেরদৌস এর বাসায় বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির অভিভাবক সদস্য ফরম বিতরণ করা হয়। যা নিয়মের বর্হিভূত।

সংশ্লিষ্ট ইউপি সাবেক চেয়ারম্যান আবু সুলতান জানান,এক সময় আমার পরিষদে ওই স্কুলের সভাপতি মানিক মেম্বারের বিরুদ্ধে অভিযোগ এসেছিলো। বিদ্যালয়ে দপ্তরী নিয়োগের টাকার বিষয়ে দপ্তরী নিয়োগের আবেদনকারী যুবকের পিতা আদাগর রায় জানান,দপ্তরী নিয়োগ বন্ধ থাকায় আমার ছেলের চাকরী হয়নি। চাকরী দেওয়ার কথা বলে আমার কাছ থেকে পঁাচলক্ষ চল্লিশ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয় প্রধান শিক্ষকের পরামর্শে সভাপতি মানিক মেম্বার। পরে দুইলক্ষ ষাট হাজার টাকা ফেরত দিলেও অবশিষ্ট টাকা ফেরত দিতে গড়িমশি করেন।
দপ্তরী নিয়োগের টাকার বিষয়ে সভাপতি মানিক (সাবেক মেম্বার) বলেন, আমি টাকা নিছি ফেরত দিছি। এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক আব্দুল হাকিমের মন্তব্য নিতে চাইলে তিনি মন্তব্য দিবেন বলে মুঠোফোনের লাইনটি কেটে দেন।

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোকসেদুর রহমান জানান,যে প্রধান শিক্ষক সহ শিক্ষিকারা যথা সময়ে বিদ্যালয়ে আসে না তাদেরকে আমি শোকজের চিঠি পাঠিয়েছি।আর অভিযোগের ভিক্তিতে অভিভাবক সদস্য ফরম বিতরণ অনিয়মের জন্য তিন সদস্য বিশিষ্ঠ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে ।অভিযোগ প্রমান হলে প্রধান শিক্ষক সহ সংশ্লিষ্ঠ শিক্ষিকার বিরুদ্ধে আইগতভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।






Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *