Main Menu

বগুড়ায় মসজিদের ইমামকে বাদ দেয়া নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষ: আহত ১০

বগুড়ার শেরপুরে মসজিদের ইমামকে বাদ দেয়া নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া-ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত দশজন আহত হয়েছেন। তাদেরকে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ও বগুড়ায় শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এরমধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। গত শনিবার (৩০মে) সন্ধ্যার দিকে উপজেলার শাহবন্দেগী ইউনিয়নের খন্দকারটোলা তিনমাথা (ফজলুর মোড়) এলাকায় অবস্থিত বায়তুন নুর জামে মসজিদ নিয়ে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। উক্ত ঘটনায় রোববার (৩১মে) দুপুরের পর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় এলাকাবাসী জানান, ওই মসজিদের ইমামকে বাদ দেয়া নিয়ে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সদস্যরা দু’ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েন। তাই বিষয়টি নিয়ে ঘটনার সময় মসজিদে বৈঠক ডাকা হয়। কিন্তু বৈঠক শুরুর আগেই উভয়পক্ষে লোকজন বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। এমনকি তাদের মধ্যে চরম উত্তেজনা তৈরী হয়। একপর্যায়ে শুরু হয় ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও সংঘর্ষ।
একপক্ষের নেতৃত্বে থাকা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. লিটন খন্দকার জানান, পূর্বপরিকল্পিতভাবে শামিমের নেতৃত্বে বেশকিছু অপরিচিত যুবক লাঠিসোটা নিয়ে তাদের ওপর অতর্কিতভাবে হামলে পড়ে। তাদের বেধড়ক মারপিটে তার পক্ষের বেশ কয়েকজন ব্যক্তি আহত হয়েছেন। এরমধ্যে শাহীন আলম, নুরনবী হাসান ও সানাউল্লাহ মিয়ার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদেরকে বগুড়ায় শজিমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আরেক পক্ষের নেতৃত্বে থাকা মসজিদ কমিটির সভাপতির পক্ষের মো. শামীম হাসান বলেন, মসজিদ পরিচালনা কমিটির সদস্যদের কোন কিছু অবগত না করেই লিটন খন্দকার এককভাবে মসজিদের ইমামকে বাদ দেন। কারণ জানতে চাইলে তিনি উত্তেজিত হয়ে ওঠেন। এমনকি তার লোকজন নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। তাদের হামলায় তার পক্ষের ছয় থেকে সাতজন ব্যক্তি আহত হয়েছেন। এরমধ্যে গুরুতর আহত সোবহান, আরিফ, আফাজ উদ্দীন, লিমন, মজনু ও নির্ঝর উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্স থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে দাবি করেন শামীম হাসান।
 এ প্রসঙ্গে বক্তব্য জানতে চাইলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শেরপুর থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) আতিকুর রহমান জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয়পক্ষের লোকজনকে শান্ত করা হয়। ফলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসে। এরপর আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়। পাশাপাশি ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। ঘটনায় জড়িত প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুততম সময়ের মধ্যেই আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।





Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *