Main Menu

পশ্চিমবঙ্গের সুন্দরবন অংশে আঘাত হেনেছে আম্পান, মংলা ও পায়রায় ১০নং মহাবিপদ সংকেত

পশ্চিমবঙ্গের সুন্দরবন অংশে আঘাত হেনেছে আম্পান, মংলা ও পায়রায় ১০নং মহাবিপদ সংকেত।ঘূর্ণিঝড় আম্পানের কারনে চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরে ৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। এর আগে সকাল ছয়টার বুলেটিনে আবহাওয়া অধিদপ্তর এ দুই বন্দরে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলে। পরে সকাল ৯টার দিকে বাড়িয়ে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত জারি করা হয়। আর তা কিছু খন আগে বাড়িয়ে ৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেত করা হয়।

এর আগে মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়।

উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলোও এই ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে বলে জানায় আবহাওয়া অফিস।

এটি বর্তমানে মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ২৯০ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৩২০ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল। এটি সন্ধ্যা ৬ টা নাগাদ সুন্দরবনের উপর দিয়ে পশ্চিমবঙ্গ-বাংলাদেশ উপকূল অতিক্রম করতে পারে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটে এর বাতাসের গতিবেগ ১৪০ থেকে ১৫০ কিলোমিটার। এটি সুন্দরবনে ৩ থেকে ৪ ঘন্টা অবস্থান করতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর আরো জানায়, জলোচ্ছ্বাসের সতর্কতায় বলা হয়, ঘূর্ণিঝড় এবং দ্বিতীয় পক্ষের চাঁদের সময়ের শেষ দিনের প্রভাবে উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী ও চট্টগ্রাম এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলোর নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে থেকে ১০ থেকে ১৫ ফুট অধিক উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে।






Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *