Main Menu

 রমজান মাস ধৈর্য্যের মাস

রহমত,বরকত ও মাগফিরাতের সু-সংবাদ নিয়ে আবার ফিরে এসেছে আমাদের জীবনে পবিত্র মাহে রমজান। সারা বিশ্ব আজ করোনায় আক্রান্ত।সরকারী নির্দেশনা হচ্ছে গণজামায়েত এড়িয়ে চলা,বিনা কারনে ঘরের বাহিরে ঘোরাঘুরি না করা।ঘরে থেকে নামাজ আদায় করা।সাদ্যমত দরিদ্রদের সাহায্য সহযোগিতা করা।সহ্য শক্তি বাড়িয়ে তোলা।আসুন আমরা সকলেই সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখি।করোনা আতঙ্কে বিশ^ সমাজ আজ টাল-মাটাল।

রমজান মাস হচ্ছে আল্লাহর রহমতের মাস।প্রথম  ১০দিন হচ্ছে রহমতের,দ্বিতীয় ১০দিন হচ্ছে বরকতের,তৃতীয় ১০দিন হচ্ছে মাগফিরাতের।এ মাসের রোজা আল্লাহ আমাদের ওপর ফরজ করেছেন।শরিয়তের পরিভাষায় সূর্য উদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত রোজার নিয়তে যাবতীয় পানাহার এবং কামাচার থেকে বিরত থাকার নাম রোজা।রমজান মাস আসলে দোজখের দরজা বন্ধ হয়ে যায় আর বেহেস্তের দরজা খোলে দেওয়া হয়।শয়তাকে আল্লাহ শৃঙ্খলিত করে দেন।বেহেস্তের ৮টি দরজার মাঝে একটির নাম রাাইয়ান এই দরজা দিয়ে শুধু রোজাদার প্রবেশ করতে পারবে।

রমজান মাসেই মুসলমানদের প্রবিত্র গ্রন্থ আল- কোরআন অবতীর্ন হয়েছে।আলাহ কদরের রাত্রির ইবাদতকে হাজার মাসের অধিক সওয়াব পাওয়া যায়। আল্লাহর কাছে রোজাদারের মুখের গন্ধ কস্তুরীর সুঘ্রানের চেয়েও উত্তম।রোজাদারের খুশির বিষয় দুটি ইফতারের সময় আর যখন সে রোজার বিনিময় লাভ করবে তখন।রোজার মাসে কোন রোজাদারকে ইফতার করালে সে রোজাদার ব্যক্তির সমান সওয়াব পাবেন।কিন্তু যে ব্যক্তি ইফতার করবে তার সওয়াব কম পড়বে না।

শেষ ১০দিন হচ্ছে দোযখ থেকে মুক্তির।এ জন্য আমি মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের শোকর গুজার করছি এবং সকল কে রমজানের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।দুনিয়া ও আখিরাতের জীবনে রমজানের গুরুত্ব অনেক।রমজানের রোজা শরীরের জন্য অনেক উপকারী যার সঙ্গে রয়েছে আল্লাহর ফজিলত।রমজান মাসে আমরা সারা জীবনের পাপ মাফ এবং পূর্ণ  অর্জনের বিশেষ সযোগ পেয়ে থাকি।আমাদের প্রতিটি ভালো কাজের বেশি নেকি দান করবেন মহান আল্লাহ।

তাই আমি সকল প্রাপ্ত বয়স্ক সকলকেই ইসলামি নিয়ম মাফিক সিয়াম পালন,ভাল আমল,রোজাদার ব্যক্তিকে কষ্ট না দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।মহান আল্লাহ আমাদের সকলকেই ইসলামী নিয়ম মাফিক রোজা পালনের তওফিক দান করুন আমিন।






Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *